বৈদিক যুগ MCQ: কম্পিটিটিভ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ 20টি প্রশ্নোত্তর

Share
Select Language: English हिन्दी বাংলা

বৈদিক যুগ MCQ: পটভূমি ও গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত আলোচনা

প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে বৈদিক যুগ MCQ (Vedic Age MCQ in Bengali) হলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সিন্ধু সভ্যতার পতনের পর আর্যদের আগমনের মাধ্যমে যে গ্রামীণ ও কৃষিভিত্তিক সমাজ গড়ে উঠেছিল, তাকে কেন্দ্র করেই এই সভ্যতার সূচনা হয়। ভারতের জ্ঞান-বিজ্ঞানের আদি উৎস বেদ-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই অধ্যায়টি থেকে SSC (CGL, CHSL, MTS, GD), Railways (RRB), Police (Constable & SI), WBCS, PSC Clerkship, Teaching Exams (Primary, Upper Primary, SLST, CTET) এবং অন্যান্য পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে।

পরীক্ষার প্রস্তুতির সুবিধার্থে আমরা এই পর্বে বৈদিক সভ্যতা MCQ এর খুঁটিনাটি বিষয় যেমন—ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুুর্বেদ ও অথর্ববেদ সম্পর্কে আলোচনা করেছি। এছাড়া আর্যদের সামাজিক জীবন, চতুর্বর্ণ প্রথা এবং বিভিন্ন বৈদিক যুগের নদী ও দেবতাদের নিয়ে সাজানো এই Vedic Age MCQ in Bengali সেটটি আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও মজবুত ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।

INFO

সঠিক উত্তর দেখার নিয়মাবলী

প্রতিটি প্রশ্নের চারটি অপশন রয়েছে, সঠিক উত্তরটি জানার জন্য নিচের “Show Answer” বাটনটিতে ক্লিক করুন।
(নোট: 2য় বার ক্লিক করলে উত্তরটি Hide হবে এবং 3য় বার ক্লিক করলে আবার দেখা যাবে।)

বৈদিক যুগ MCQ: কম্পিটিটিভ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ২০টি প্রশ্নোত্তর

1. ঋগ্বেদের কোন মণ্ডলে ‘পুরুষ সূক্ত’ বর্ণিত আছে?
(A) অষ্টম মণ্ডল
(B) নবম মণ্ডল
(C) দশম মণ্ডল
(D) সপ্তম মণ্ডল
সঠিক উত্তর: (C) দশম মণ্ডল Extra Info: ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের পুরুষ সূক্তে বর্ণ ব্যবস্থার প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়। এখানে পরম পুরুষের মুখ, বাহু, উরু ও পদতল থেকে চারটি বর্ণের উৎপত্তির কথা বলা হয়েছে। সমাজ বিন্যাসের এই প্রাচীনতম তথ্যটি ঐতিহাসিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
2. বৈদিক যুগের কোন নদীটি ‘অস্কিনি’ নামে পরিচিত?
(A) চেনাব
(B) ঝিলাম
(C) বিপাশা
(D) রবি
সঠিক উত্তর: (A) চেনাব Extra Info: অস্কিনি হলো বর্তমান চেনাব নদীর প্রাচীন বৈদিক নাম। এই নদীটি ঋগ্বেদে বর্ণিত সপ্তসিন্ধু অঞ্চলের একটি অন্যতম প্রধান জলধারা ছিল। বৈদিক সাহিত্যে বিভিন্ন নদীর প্রাচীন নামের উল্লেখ তৎকালীন ভৌগোলিক অবস্থানের পরিচয় দেয়।
3. আর্যরা যখন ভারতে আসে, তারা নিজেদের কী নামে পরিচয় দিত?
(A) অনাৰ্য
(B) আর্য
(C) দস্যু
(D) দাস
সঠিক উত্তর: (B) আর্য Extra Info: ‘আর্য’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো উচ্চবংশজাত বা অভিজাত ব্যক্তি। তারা নিজেদের সংস্কৃতি ও ভাষাগত শ্রেষ্ঠত্বের পরিচায়ক হিসেবে এই নামটি ব্যবহার করত। সংস্কৃত ভাষায় আর্য বলতে মূলত শিষ্ট বা সজ্জন ব্যক্তিদের বোঝানো হতো।
4. বৈদিক যুগের ‘সভা’ বলতে কী বোঝাত?
(A) সাধারণ মানুষের সমাবেশ
(B) প্রবীণদের পরিষদ
(C) রাজার ব্যক্তিগত সৈন্যদল
(D) বণিকদের সংগঠন
সঠিক উত্তর: (B) প্রবীণদের পরিষদ Extra Info: ‘সভা’ ছিল সমাজের প্রবীণ, অভিজ্ঞ ও উচ্চবংশীয় ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত একটি বিশেষ পরিষদ। এটি রাজার শাসনকাজে পরামর্শ দাতা এবং বিচার বিভাগীয় কাজ পরিচালনা করত। ঋগ্বেদীয় যুগে গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে সভার গুরুত্ব ছিল অপরিসীম।
5. ঋগ্বেদে কোন দেবতার উল্লেখ সবচেয়ে বেশিবার পাওয়া যায়?
(A) অগ্নি
(B) বরুণ
(C) ইন্দ্র
(D) সোম
সঠিক উত্তর: (C) ইন্দ্র Extra Info: ঋগ্বেদে যুদ্ধের দেবতা ইন্দ্রের মহিমা গান করে প্রায় ২৫০টি স্তোত্র উৎসর্গ করা হয়েছে। তাকে বজ্রের দেবতা এবং বৃষ্টির কারক হিসেবেও পূজা করা হতো। বৈদিক দেবতাদের মধ্যে ক্ষমতার দিক থেকে তার স্থান ছিল সবার উপরে।
6. বৈদিক যুগে শিক্ষার মাধ্যম কী ছিল?
(A) মৌখিক পাঠ
(B) লিপি লিখন
(C) চিত্রলিপি
(D) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: (A) মৌখিক পাঠ Extra Info: বৈদিক যুগে লিপি বা লেখার প্রচলন না থাকায় শিক্ষা ছিল সম্পূর্ণভাবে শ্রুতি বা শ্রবণ নির্ভর। গুরুকুলে শিষ্যরা গুরুর মুখ থেকে শুনে শুনে বেদ ও অন্যান্য শাস্ত্র নিখুঁতভাবে মুখস্থ করত। এই স্মরণ রাখার ক্ষমতার কারণেই বেদকে ‘শ্রুতি’ বলা হয়ে থাকে।
7. ‘যজুর্বেদ’ মূলত কোন বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে রচিত?
(A) স্তোত্র বা মন্ত্র
(B) যজ্ঞের নিয়মাবলি
(C) সঙ্গীত
(D) চিকিৎসাশাস্ত্র
সঠিক উত্তর: (B) যজ্ঞের নিয়মাবলি Extra Info: যজুর্বেদ হলো বিভিন্ন বৈদিক যজ্ঞ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলির সংকলন। এতে যজ্ঞ করার সময় পঠিতব্য মন্ত্র এবং যজ্ঞবেদী নির্মাণের কৌশল বর্ণিত হয়েছে। এটি কৃষ্ণ যজুর্বেদ ও শুক্ল যজুর্বেদ—এই দুই প্রধান ভাগে বিভক্ত।
8. বৈদিক সাহিত্যে ‘বিপাস’ বর্তমান কোন নদী?
(A) বিয়াস
(B) শতদ্রু
(C) ঝিলাম
(D) রবি
সঠিক উত্তর: (A) বিয়াস Extra Info: বৈদিক সাহিত্যে বর্ণিত বিপাশা নদীর বর্তমান নাম হলো বিয়াস। এই নদীটি সিন্ধু নদের অন্যতম প্রধান উপনদী যা পাঞ্জাব অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত। প্রাচীন আর্যরা এই নদীর তীরবর্তী উর্বর ভূমিতে কৃষিকাজ ও বসতি বিস্তার করত।
9. বৈদিক যুগের প্রধান প্রশাসনিক একক ছিল কোনটি?
(A) জন
(B) গ্রাম
(C) কূল
(D) বিশ্ব
সঠিক উত্তর: (A) জন Extra Info: ঋগ্বেদীয় প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক একক ছিল ‘জন’। অনেকগুলো ‘বিশ’ বা গ্রাম নিয়ে একটি জন গঠিত হতো যার প্রধানকে বলা হতো রাজন। জনগণের নিরাপত্তা এবং যুদ্ধের নেতৃত্ব দেওয়াই ছিল এই প্রশাসনিক এককের মূল লক্ষ্য।
10. বৈদিক যুগের সমাজে ‘গোপতি’ বলতে কাকে বোঝাত?
(A) পুরোহিত
(B) রাজাকে
(C) ধনী ব্যবসায়ী
(D) সেনাপতি
সঠিক উত্তর: (B) রাজাকে Extra Info: বৈদিক যুগে গোধন বা গরু ছিল শ্রেষ্ঠ সম্পদ, তাই গোধন রক্ষার প্রধান দায়িত্ব রাজাকে দেওয়া হতো। পশুপালের রক্ষক হিসেবেই রাজাকে ‘গোপতি’ উপাধিতে ভূষিত করা হতো। এটি তৎকালীন সমাজে পশুপালনের গুরুত্ব এবং রাজার কর্তব্যের পরিচয় দেয়।
11. আর্যরা কোথায় প্রথম বসতি স্থাপন করেছিল?
(A) সিন্ধু উপত্যকা
(B) সপ্তসিন্ধু অঞ্চল
(C) গাঙ্গেয় উপত্যকা
(D) নর্মদা উপত্যকা
সঠিক উত্তর: (B) সপ্তসিন্ধু অঞ্চল Extra Info: আর্যরা ভারতে এসে প্রথম সিন্ধু ও তার উপনদী বিধৌত ‘সপ্তসিন্ধু’ অঞ্চলে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। এই এলাকাটি বর্তমানে পাঞ্জাব ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক সীমানাকে নির্দেশ করে। ঋগ্বেদের অধিকাংশ স্তোত্র এই পবিত্র নদীগুলোর তীরেই রচিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
12. ঋগ্বেদে মোট কতগুলো সূক্ত আছে?
(A) 1028টি
(B) 1042টি
(C) 800টি
(D) 1200টি
সঠিক উত্তর: (A) 1028টি Extra Info: ঋগ্বেদে মোট ১০২৮টি সূক্ত বা স্তোত্র সংকলিত আছে যা ১০টি মণ্ডলে বিভক্ত। এই সূক্তগুলো মূলত বিভিন্ন বৈদিক দেব-দেবীর আরাধনা ও প্রশংসামূলক গীতি। এটি বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মীয় সাহিত্য হিসেবে স্বীকৃত এবং ইন্দো-আর্য সংস্কৃতির মূল ভিত্তি।
13. বৈদিক যুগে ‘সমিতী’ ছিল—
(A) রাজসভার একটি বিভাগ
(B) জনগণের সাধারণ সভা
(C) বিচারক সভা
(D) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: (B) জনগণের সাধারণ সভা Extra Info: ‘সমিতী’ ছিল বৈদিক যুগের একটি জাতীয় পরিষদ যেখানে সাধারণ মানুষ সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারত। এখানে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিষয় ছাড়াও রাজার নির্বাচন বা তার কাজের সমালোচনা করা হতো। এটি গণতান্ত্রিক ভাবধারার এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে কাজ করত।
14. বৈদিক যুগের মানুষ কোন ধাতুর ব্যবহার জানত না?
(A) তামা
(B) লোহা
(C) রূপা
(D) সোনা
সঠিক উত্তর: (B) লোহা Extra Info: আদি বৈদিক বা ঋগ্বেদীয় যুগের আর্যরা লোহার ব্যবহার সম্পর্কে একেবারেই অবহিত ছিল না। তারা মূলত তামা ও ব্রোঞ্জ (যাকে আয়া বলা হতো) দিয়ে অস্ত্র ও হাতিয়ার তৈরি করত। লোহার ব্যাপক ব্যবহার পরবর্তী বৈদিক যুগে শুরু হয়ে কৃষি ও সভ্যতার আমূল পরিবর্তন ঘটায়।
15. আর্যদের সমাজে পরিবারের প্রধানকে কী বলা হতো?
(A) রাজন
(B) কুলপ
(C) গ্রামণী
(D) পুরোহিত
সঠিক উত্তর: (B) কুলপ Extra Info: বৈদিক সমাজ ছিল পুরুষতান্ত্রিক এবং পরিবারের প্রধান বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে ‘কুলপ’ বা কুলপতি বলা হতো। পরিবারের সকল সদস্যের ওপর তার নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব ও শাসনের অধিকার ছিল। কয়েকটি পরিবার বা ‘কুল’ একত্রিত হয়ে পরবর্তী প্রশাসনিক স্তর ‘গ্রাম’ গঠিত হতো।
16. বৈদিক সাহিত্যে কাকে ‘পুরন্দর’ বলা হয়?
(A) অগ্নি
(B) ইন্দ্র
(C) বরুণ
(D) সূর্য
সঠিক উত্তর: (B) ইন্দ্র Extra Info: ‘পুরন্দর’ শব্দের অর্থ হলো শত্রুর দুর্গ বা পুর ধ্বংসকারী, যা ইন্দ্রের বীরত্বকে নির্দেশ করে। আর্যদের ভারত অভিযানের সময় অনার্যদের শক্তিশালী দুর্গগুলো জয়ের জন্য তাকে এই নামে ডাকা হতো। তিনি কেবল বৃষ্টির দেবতাই ছিলেন না, বরং বৈদিক বীরত্বের প্রধান প্রতীকও ছিলেন।
17. নিচের কোনটি ঋগ্বেদীয় যুগের সামাজিক বৈশিষ্ট্য?
(A) বর্ণাশ্রম প্রথা কঠোর ছিল
(B) নারীদের সম্মান ছিল
(C) অস্পৃশ্যতা প্রবল ছিল
(D) উপাসনা ছিল মন্দির কেন্দ্রিক
সঠিক উত্তর: (B) নারীদের সম্মান ছিল Extra Info: ঋগ্বেদীয় যুগে সমাজে নারীদের অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদার আসনে বসানো হতো এবং তারা স্বাধীনভাবে শিক্ষালাভের সুযোগ পেতেন। ঘোষা, অপালা, বিশ্ববারার মতো বিদুষী নারীরা এই যুগে এমনকি বেদের মন্ত্রও রচনা করেছিলেন। বাল্যবিবাহ ও পর্দার প্রথা তখন ছিল না এবং নারীরা সভা-সমিতিতেও অংশ নিতে পারতেন।
18. আর্যদের প্রধান দেবতা ‘বরুণ’ কীসের প্রতীক ছিলেন?
(A) যুদ্ধের
(B) নৈতিক নিয়মের বা ঋত-এর
(C) আলোর
(D) সম্পদের
সঠিক উত্তর: (B) নৈতিক নিয়মের বা ঋত-এর Extra Info: দেবতা বরুণ ছিলেন মহাজাগতিক ও নৈতিক নিয়মের রক্ষক যাকে বৈদিক ভাষায় ‘ঋত’ বলা হতো। তিনি জগতের শৃঙ্খলা বজায় রাখতেন এবং পাপীদের শাস্তি দিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেন। সমুদ্র ও জলের অধিপতি হিসেবেও তার অসামান্য প্রভাব ছিল।
19. বৈদিক যুগে ‘নিষ্ক’ কী ছিল?
(A) এক প্রকার অলঙ্কার/মুদ্রা
(B) এক প্রকার খাদ্যশস্য
(C) এক প্রকার অস্ত্র
(D) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: (A) এক প্রকার অলঙ্কার/মুদ্রা Extra Info: নিষ্ক ছিল মূলত স্বর্ণ নির্মিত একটি গলার অলঙ্কার যা বৈদিক যুগে বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরবর্তী বৈদিক সাহিত্যে এর বিবর্তিত রূপ হিসেবে একটি নির্দিষ্ট ওজনের স্বর্ণমুদ্রার উল্লেখ পাওয়া যায়। এটি প্রাচীন ভারতের অর্থনৈতিক লেনদেনের ক্রমবিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
20. বৈদিক যুগের মানুষ কোন পশুকে সবচেয়ে বেশি পবিত্র মনে করত?
(A) হাতি
(B) গরু
(C) ঘোড়া
(D) উট
সঠিক উত্তর: (B) গরু Extra Info: বৈদিক সমাজে গরু ছিল সম্পদের প্রধান মাপকাঠি এবং আধ্যাত্মিক দিক থেকে অত্যন্ত পবিত্র পশু। ঋগ্বেদে গরুকে ‘অঘ্ন্যা’ বা অবধ্য বলা হয়েছে যার অর্থ হলো তাকে হত্যা করা নিষিদ্ধ। পশুপালন ভিত্তিক এই সভ্যতায় গরুর দুধ ও ঘি ধর্মীয় যজ্ঞের জন্য ছিল অপরিহার্য।

People also ask (FAQs)

বৈদিক সভ্যতা বলতে কি বোঝায়?

সিন্ধু সভ্যতার পতনের পর প্রাচীন ভারতে আর্যদের আগমনের মাধ্যমে বেদকে কেন্দ্র করে যে সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, তাকেই বৈদিক সভ্যতা বলা হয়। এটি মূলত একটি গ্রামীণ ও কৃষিভিত্তিক সভ্যতা ছিল।

বৈদিক সভ্যতা ভারতে কোন জাতি?

বৈদিক সভ্যতা ভারতে ইন্দো-আর্য (Indo-Aryan) জাতির মাধ্যমে গড়ে উঠেছিল। ঐতিহাসিকদের মতে, আর্যরা মধ্য এশিয়া থেকে ভারতে এসে এই উন্নত সংস্কৃতির সূচনা করেছিল।

আর্য শব্দের অর্থ কি?

সংস্কৃত ভাষায় ‘আর্য’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো ‘অভিজাত’ বা ‘সৎ বংশজাত ব্যক্তি’। এছাড়া ভাষাগত অর্থে এটি একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাভাষী মানুষকে বোঝায়।

বৈদিক যুগের মুদ্রা কি কি?

বৈদিক যুগে মূলত বিনিময় প্রথা প্রচলিত ছিল। তবে বিনিময়ের মাধ্যম বা মুদ্রার মতো অলঙ্কার হিসেবে ‘নিষ্ক’ ও ‘মনা’ নামক স্বর্ণমুদ্রার ব্যবহারের উল্লেখ পাওয়া যায়।

বৈদিক চার প্রকার কি কি?

বৈদিক সাহিত্যের প্রধান স্তম্ভ হলো চারটি বেদ— ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ। এছাড়া সামাজিক জীবনে চারটি আশ্রম (ব্রহ্মচর্য, গার্হস্থ্য, বানপ্রস্থ ও সন্ন্যাস) এবং চতুর্বর্ণ প্রথাও প্রচলিত ছিল।

বৈদিক যুগের সমাজ কি ছিল?

বৈদিক যুগের সমাজ ছিল মূলত পিতৃতান্ত্রিক, যেখানে পরিবারের প্রধানকে বলা হতো ‘কুলপা’। তবে ঋগ্বৈদিক যুগে নারীদের যথেষ্ট সম্মান ছিল এবং পরবর্তীকালে সমাজে চতুর্বর্ণ প্রথার উদ্ভব ঘটেছিল।

📌 স্মার্ট স্টাডি টিপস: বৈদিক সভ্যতা

বৈদিক সভ্যতা MCQ বা এই জাতীয় ইতিহাসের টপিকগুলো মনে রাখার জন্য নিচে দেওয়া টিপসগুলো অনুসরণ করতে পারেন:

  • বেদের প্রকারভেদ: মনে রাখবেন বেদের চারটি ভাগ হলো— প্রার্থনা ও স্তোত্রের সংকলন ঋগ্বেদ পৃথিবীর প্রাচীনতম সাহিত্য, সংগীত ও সুরের উৎস সামবেদ, যজ্ঞের নিয়মকানুন সম্বলিত যজুর্বেদ এবং চিকিৎসাবিদ্যা ও জাদুমন্ত্রের আধার অথর্ববেদ
  • সামাজিক সংগঠন: আর্যদের পরিবার ছিল পিতৃতান্ত্রিক এবং গ্রাম শাসনের প্রধানকে গ্রামীণী বলা হতো।
  • বিখ্যাত সভা: বৈদিক যুগে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সভাসমিতি-র গুরুত্ব ছিল অপরিসীম।
  • বিনিময় প্রথা: সেই সময়ে বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে নিষ্কমনা নামক স্বর্ণমুদ্রা বা অলঙ্কার ব্যবহৃত হতো।
  • নদী ও দেবতা: আর্যদের কাছে পবিত্রতম নদী ছিল সরস্বতী এবং প্রধান উপাস্য দেবতা ছিলেন ইন্দ্র (পুরন্দর)।

🌟 সাফল্যের বার্তা: মনে রাখবেন, প্রতিটি ছোট পদক্ষেপই আপনাকে বড় সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। আজকের এই কঠিন পরিশ্রমই আগামীকালের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে। আপনার প্রস্তুতির ধার বজায় রাখতে আমাদের Exam Prep Zone ওয়েবসাইটে বৈদিক যুগ MCQ-এর ন্যায় ইতিহাসের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ MCQ ও মক টেস্ট গুলি নিয়মিত প্র্যাকটিস করুন এবং আপনার প্রস্তুতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যান।

Share

YOU MIGHT LIKE

LEAVE A COMMENT

Please enter your comment!
Please enter your name here.

START LEARNING BY SUBJECT

DON'T MISS

QUICK STUDY PICKS